মুর্শিদাবাদে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে ঘিরে। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর থেকে তাঁর স্ত্রীর নামে একটি শো-কজ নোটিস পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ, একটি জলাভূমি বা জলা জমি ভরাট করে সেখানে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে, যা আইন অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া করা যায় না। এই কারণেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
দফতরের দাবি, জমির প্রকৃতি পরিবর্তন করতে হলে আগে সরকারি অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সেই অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাই পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতেই এই নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে প্রশাসনের বক্তব্য। সন্তোষজনক জবাব না মিললে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
হুমায়ুন কবীর অবশ্য এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, বাড়িটি বহু বছর আগেই তৈরি হয়েছে এবং তখন কোনও আপত্তি তোলা হয়নি। এখন হঠাৎ করে নোটিস পাঠানোয় তিনি এর পেছনে রাজনৈতিক চাপের ইঙ্গিত দেখছেন।
সব মিলিয়ে ঘটনাটি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কী জবাব দেওয়া হয় এবং প্রশাসন পরবর্তীতে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই এখন সবার নজর। এই ঘটনায় জমি ব্যবহার ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।













