
Chhattisgarh Constable 2025 Scorecard Out: Next Step Medical Exam,(Representative Image)
ছত্তিশগড় পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় আপডেট এসেছে। ২০২৫ সালের কনস্টেবল পদের জন্য অনুষ্ঠিত ট্রেড টেস্ট ও শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা (PET)–এর ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই পরীক্ষার অপেক্ষায় থাকা হাজারো প্রার্থীর জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। ফলাফলে প্রকাশিত তথ্য প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপের প্রস্তুতিকে আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে।
এই নিয়োগের প্রথম ধাপ ছিল লিখিত পরীক্ষা, যেখানে উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রার্থীরা PET-এ অংশ নেন। শারীরিক পরীক্ষায় সফল প্রার্থীদের ট্রেড টেস্টে ডাকা হয়, যা নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ট্রেড টেস্টের নম্বর মিলিয়ে এখন প্রতিটি প্রার্থীর সামগ্রিক মূল্যায়ন প্রকাশিত হয়েছে। ফলে কে কোন ধাপে কতটা ভালো করেছেন, সেই পূর্ণাঙ্গ চিত্র এবার হাতে এসেছে।
প্রকাশিত স্কোরকার্ডে তিনটি প্রধান মূল্যায়ন—লিখিত পরীক্ষা, PET এবং ট্রেড টেস্ট—এই সবগুলোর নম্বর বিস্তারিতভাবে উল্লেখ রয়েছে। সঙ্গে রয়েছে প্রার্থীর সামগ্রিক মেরিট পজিশন। ফলে প্রার্থীরা এখন পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারবেন যে তারা পরবর্তী ধাপে যোগ্য হয়েছেন কি না।
ফলাফল প্রকাশের পর সবচেয়ে বড় গুরুত্ব পাচ্ছে মেডিক্যাল পরীক্ষা ও নথিপত্র যাচাই প্রক্রিয়া। স্কোরকার্ডে ভালো অবস্থানে থাকা প্রার্থীরা দ্রুতই এই ধাপগুলোর জন্য কল লেটার পাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি ধীরে ধীরে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে, এবং এবার মূলত যোগ্য প্রার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা ও স্বাস্থ্যগত যাচাই—এই দুই বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
ফলাফল দেখার জন্য প্রার্থীদের নিজেদের রোল নম্বর ও জন্মতারিখের মতো তথ্য ব্যবহার করে স্কোরকার্ড ডাউনলোড করতে হয়েছে। কর্তৃপক্ষ পরামর্শ দিয়েছে, ভবিষ্যতের ধাপগুলোতে এই স্কোরকার্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে, তাই অবশ্যই এটি সংরক্ষণ করা উচিত। অনেক প্রার্থী ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের সাফল্যের কথা শেয়ার করছেন, যা উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।
ছত্তিশগড় পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ বেশ জনপ্রিয় একটি প্রতিযোগিতা হওয়ায় প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক আবেদনকারী অংশ নেন। এর মধ্যে ধাপে ধাপে筛নিং প্রক্রিয়া প্রার্থীদের দক্ষতা ও ফিটনেসের ওপর নির্ভর করে। এবারের ফলাফল দেখেও স্পষ্ট, প্রতিযোগিতা ছিল অত্যন্ত কঠিন। যাঁরা যোগ্যতা দেখাতে পেরেছেন, তাঁদের সামনে এখন শেষ কয়েকটি ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার চ্যালেঞ্জ।
সব মিলিয়ে, এই ফলাফল ২০২৫ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল। এখন প্রার্থীদের একমাত্র লক্ষ্য—মেডিক্যাল পরীক্ষা ও নথিপত্র যাচাই সফলভাবে সম্পন্ন করা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শিগগিরই তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়ে বাস্তব প্রশিক্ষণের পর্যায়ে যাওয়ার সুযোগ মিলবে।













