
Thailand Collapse as Indonesia Dominate Opening T20,Source: social media
থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যকার প্রথম টি২০ ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। দুই দলই সাম্প্রতিক সময়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিজেদের উন্নতি দেখিয়েছে, ফলে ম্যাচ শুরুর আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন হয়ে ওঠে। ব্যাঙ্গককের তেরদথাই ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই দ্বিপাক্ষিক লড়াইয়ে ব্যাট-বল হাতে দারুণ উত্তেজনা তৈরি হয় শুরু থেকেই।
ম্যাচে থাইল্যান্ড টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তাদের ইনিংস শুরু থেকেই চাপে পড়ে। ওপেনাররা বড় রান তুলতে ব্যর্থ হওয়ায় মিডল-অর্ডারের ওপর দায়িত্ব পড়ে যায়। যদিও কয়েকজন ব্যাটসম্যান চেষ্টা করেছিলেন ইনিংস গুছিয়ে নিতে, তবু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকায় বড় সংগ্রহ গড়ার স্বপ্ন থেমে যায় মাঝপথেই। নির্ধারিত ২০ ওভারে থাইল্যান্ড মাত্র ৮০ রানের মতো সংগ্রহ দাঁড় করাতে সক্ষম হয়, যা টি২০ ক্রিকেটে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ স্কোর বলা কঠিন।
লক্ষ্য ছিল ছোট, কিন্তু ইন্দোনেশিয়া তাড়াহুড়ো না করে ইনিংস সাজাতে চেয়েছিল। শুরুতে তারা সতর্ক খেললেও থাইল্যান্ডের বোলারদের ধারাবাহিক সুযোগ কাজে না লাগাতে পারাটা তাদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়। ইন্দোনেশিয়ার ব্যাটসম্যানরা উইকেট না দিয়ে প্রয়োজনীয় গতিতে রান তুলতে থাকে।
ইনিংসের মাঝামাঝি সময়ে একাধিক বাউন্ডারি ও ঠাণ্ডা মাথার স্ট্রাইকরোটেশনের ওপর ভর করে তারা ম্যাচকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। থাইল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে কেউ কেউ disciplined line-length ধরে রাখলেও কম স্কোরের রক্ষা করা শেষ পর্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। রান তাড়া করতে করতে ইন্দোনেশিয়া শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেট হাতে রেখে সহজেই লক্ষ্য অর্জন করে।
এই ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বশীল ইনিংস ছিল প্রশংসনীয়। বিশেষ করে টপ-অর্ডারের একজন ব্যাটসম্যান দারুণভাবে ইনিংস গড়েন, যা দলের জয়ে মূল ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে থাইল্যান্ডের হয়ে কয়েকজন বোলার ভালো বোলিং করলেও রান রক্ষা করার মতো সহায়তা পাননি ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে।
ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মত, থাইল্যান্ডের প্রধান দুর্বলতা ছিল ব্যাটিং অস্থিরতা। শুরুতেই উইকেট হারানো, শট নির্বাচন ভুল হওয়া এবং স্ট্রাইকরোটেশন করতে ব্যর্থ হওয়া তাদের বিপদ ডেকে আনে। বিপরীতে, ইন্দোনেশিয়ার পরিকল্পনা ছিল স্পষ্ট—ছোট লক্ষ্য, তাই চাপ ছাড়া স্বাভাবিক ক্রিকেট খেলাই জয় এনে দেবে। তারা সেটিই করেছে সফলভাবে।
এই জয়ের ফলে ইন্দোনেশিয়া সিরিজে প্রাথমিক সুবিধা পেলেও, থাইল্যান্ড এখন আরও দায়িত্বশীল ব্যাটিং নিয়ে মাঠে নামার চেষ্টা করবে। শুরুটা খারাপ হলেও তারা প্রত্যাবর্তনের ক্ষমতা রাখে। সামনে আরও ম্যাচ বাকি, তাই কোন দল শেষ পর্যন্ত এগিয়ে থাকবে—তা দেখতে ভক্তদের অপেক্ষা থাকবে স্বাভাবিকভাবেই।













