
Corona Remedies IPO Opens With Positive Market Buzz, (Image: Canva)
করোনা রেমেডিসের আইপিও বাজারে পা রাখতেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আগ্রহ দেখা গেছে। দেশের সামগ্রিক বাজার মনোভাব ইতিবাচক থাকায় এই ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির শেয়ার ইস্যু প্রথম দিনেই বেশ সাড়া জাগিয়েছে। পুরো ইস্যুটি একটি অফার-ফর-সেল হওয়ায় কোম্পানি নতুন মূলধন তুলছে না; বরং বিদ্যমান শেয়ারধারীরা তাঁদের অংশ বিক্রি করছেন। তবুও বাজারে এই আইপিওকে ঘিরে উদ্দীপনা কম নয়।
ইস্যুর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি শেয়ারে ১০০৮ থেকে ১০৬২ টাকার মধ্যে। খুচরা বিনিয়োগকারীদের জন্য ন্যূনতম লট সাইজ ১৪ শেয়ার, যা কিনতে হলে প্রায় ১৫ হাজার টাকার মতো বিনিয়োগ প্রয়োজন। সাম্প্রতিক সময়ে বড়-মাঝারি মাপের বেশ কিছু আইপিও ভালো সাড়া পেয়েছে, ফলে করোনা রেমেডিসও সেই ধারার সুবিধা পাচ্ছে।
প্রথম দিনের সাবস্ক্রিপশন ডেটা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের একটি পরিষ্কার ছবি দেয়। মোট উপলব্ধ শেয়ারের তুলনায় চাহিদা প্রায় ৬২% পর্যন্ত পৌঁছেছে, যা নতুন তালিকাভুক্তির জন্য একটি ইতিবাচক সূচনা বলা যায়। বিশেষ করে রিটেইল সেগমেন্টে সাড়া তুলনামূলকভাবে বেশি, যা ছোট বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফুটিয়ে তোলে।
এদিকে গ্রে মার্কেটেও এই আইপিওকে ঘিরে আশাবাদী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আনঅফিশিয়াল মার্কেটে শেয়ারের প্রিমিয়াম তালিকাভুক্তির আগেই বাড়তি চাহিদার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সাধারণত গ্রে মার্কেটের ট্রেন্ড অনেক সময় তালিকাভুক্তির দিনে শেয়ারমূল্যের সম্ভাব্য দিক নির্দেশ করে, ফলে প্রথম দিনের ইতিবাচক সিগন্যালকে বিনিয়োগকারীরা গুরুত্ব সহকারে দেখছেন।
কোম্পানির আর্থিক পারফরম্যান্সও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শক্তিশালী। আয়ের পাশাপাশি মুনাফার হারও বেড়েছে, যা ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টরে ধারাবাহিক বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। ক্রমবর্ধমান বাজার চাহিদা, নতুন পণ্য উন্নয়ন এবং স্থিতিশীল ব্যবসায়িক ভিত্তি কোম্পানির সমগ্র শক্তির জায়গা।
আইপিও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা লিড ম্যানেজাররা অভিজ্ঞ, যা বিডিং ও অ্যালোটমেন্ট প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ রাখবে। বিনিয়োগকারীরা অ্যালোটমেন্ট ও তালিকাভুক্তির আপডেট পরবর্তীতে সহজেই ট্র্যাক করতে পারবেন। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কোম্পানির ফান্ডামেন্টাল ও ব্যবসা-মডেল দীর্ঘমেয়াদে ভালো রিটার্ন দিতে পারে।
সব মিলিয়ে, করোনা রেমেডিসের আইপিওর প্রথম দিনের সাবস্ক্রিপশন বাজারে একটি সতেজ বার্তা দিয়েছে। স্বল্পমেয়াদে তালিকাভুক্তির লাভ নিয়ে জল্পনা থাকলেও, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য কোম্পানির ভিত্তি আকর্ষণীয় হতে পারে। তবুও বিনিয়োগের আগে ঝুঁকি, বাজার পরিস্থিতি এবং নিজের আর্থিক পরিকল্পনা বিবেচনা করা উচিত।













