
Taxpayers Demand Fast Action on Pending ITR Refunds,Source official website
করদাতারা এখন সামাজিক মিডিয়ায় একযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন — কারণ তারা অনেক আগে থেকেই তাঁদের আয়কর রিটার্ন (ITR) অনলাইনে জমা দিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় ভ্যারিফিকেশনও করিয়েছেন, কিন্তু রিফান্ড বা প্রক্রিয়াকরণের কোনো অগ্রগতি দেখছেন না। অনেকে বলছেন, মাস কয়েক হলেও তাঁদের ITR “Pending” বা “Processing” অবস্থায় আটকে রয়েছে।
অনেকের অভিজ্ঞতা এমন, ITR-এর কাজ হয়েও রিফান্ড এখনো যাচ্ছে না। কেউ কেউ জানাচ্ছেন, গত তিন থেকে চার মাস পার হলেও ব্যাংকে কোনো টাকা ঢুকেনি। ন্যূনতম কোনো আপডেট বা ব্যাখ্যার জন্য দরকারীয় যোগাযোগও পাওয়া যায়নি, ফলে তাদের আর্থিক পরিকল্পনায় নানা ঝামেলা তৈরি হয়েছে।
অনেকে আবার বলছেন, রিফান্ডের পরিমাণ ধারাবাহিক থাকলে ঋণ পরিশোধ বা পরিবারিক বাজেটের ওপর তার প্রভাব পড়ত। কিন্তু তথ্য না থাকায় সবকিছু অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাদের আশা ছিল, নিয়ম মেনে ITR-ফাইল করে দ্রুত রিফান্ড পাবে — কিন্তু সেই বিশ্বাস এখন ধূলিসাৎ।
করদাতারা চাচ্ছেন, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হোক পুরো স্বচ্ছ ও সময়নিষ্ঠ। ঋণ মিটে থাকুক বা না থাকুক, ITR-র স্ট্যাটাস স্পষ্টভাবে জানানো হোক এবং রিফান্ড দেরি হলে তার কারণ জানানো হোক। এভাবে হলে অন্তত ব্যক্তিগত আর্থিক পরিকল্পনায় কোনও গণ্ডগোল হবে না।
অন্য দিকে, করদাতা প্রশাসন একমত যে — বর্তমানে ব্যাক-এন্ডে কাজ প্রচুর, ব্যাঙ্ক ভ্যালিডেশন, তথ্য যাচাই-বাছাই এবং অন্যান্য কারিগরি কাজ চলছেই। তারুপিও, এটি সমাধানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
নিয়মিত কর-পরামর্শদাতা ও অর্থনীতিবিষয়ক বিশ্লেষকরা বলছেন, দেরির পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে: যেমন — করদাতার ITR-তে দেওয়া আয় এবং ব্যাংকের রেকর্ডের আয় সামঞ্জস্য না থাকা, গত বছরের বকেয়া কর থাকলে সেট-অফ, বড় অঙ্কের রিফান্ডে অতিরিক্ত যাচাই, কিংবা নতুন অনলাইন ফাইলিং পদ্ধতির কারণে প্রযুক্তিগত জটিলতা। এই সব মিলিয়ে রিফান্ড দেরি হচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
শেষমেষ, করদাতারা এখন আবেদন জানাচ্ছেন — দ্রুত, নির্ভরযোগ্য এবং স্বচ্ছ রিফান্ড প্রক্রিয়া চালু হোক, যাতে তারা আর্থিক দিক থেকে নির্ভিক থাকেন এবং ভবিষ্যতে করদায়িতায় অংশ নিতে সঙ্কোচ না করে। তাদের বিশ্বাস ফিরে পেতে হলে সময়মতো এবং পরিষ্কারভাবে প্রতিক্রিয়া অপরিহার্য।













