
New Zealand Dominate Day 1 as West Indies Collapse in Second Test,Source: social media
নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ধারালো আক্রমণে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনেই চাপে পড়ে যায়। শুরুটা যদিও মন্দ ছিল না—জন ক্যাম্পবেল ও ব্র্যান্ডন কিং ধীরে ধীরে রান তুলছিলেন। দু’জন মিলে ওপেনিং জুটিতে আশার আলো জ্বালালেও, হঠাৎ ছন্দপতন পুরো ব্যাটিং লাইন-আপকে অস্থির করে দেয়। ক্যাম্পবেল ৪৪ ও কিং ৩৩ রান করে ফেরার পর দল আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
এই ভাঙনের পর যেন ঝড় নেমে আসে। নিউজিল্যান্ডের ডেবিউট্যান্ট মাইকেল রে তার প্রথম টেস্টেই দুর্দান্ত বোলিংয়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। পাশাপাশি ব্লেয়ার টিকনার তার সেরা ফর্মে থেকে চার উইকেট দখল করে ক্যারিবীয় ব্যাটিংকে নাস্তানাবুদ করে দেন। স্কোরবোর্ডে চাপ বাড়তেই উইন্ডিজ দিশেহারা হয়ে পড়ে।
সদ্য ক্রিজে নেমে শাই হোপ দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন। তার ৪৮ রানের লড়াকু ইনিংস কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সঙ্গের ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সেই প্রচেষ্টা বেশিদূর এগোয়নি। রোস্টন চেজও ২৯ রান করে আশা জাগালেও নিউজিল্যান্ডের পেস আক্রমণ সামনে দাঁড়াতে পারেননি।
ইনিংসের মাঝামাঝি সময়েই টিকনার ও রে-র সুনির্দিষ্ট লাইন-লেংথ উইন্ডিজের ব্যাটিংকে চূড়ান্ত চাপে ফেলে। মাত্র ৫২ রানে শেষ সাত উইকেট হারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস থেমে যায় ২০৫ রানে। টেস্ট ক্রিকেটে যে লম্বা ইনিংসের প্রয়োজন, তার ছিটেফোঁটাও দেখা যায়নি ক্যারিবীয় ব্যাটিংয়ে।
তবে দিনের সবচেয়ে উদ্বেগের ঘটনা ঘটে মাঠের প্রান্তে। একটি বল থামানোর চেষ্টা করতে গিয়ে টিকনার পড়ে গিয়ে কাঁধে মারাত্মক চোট পান। দুর্দান্ত বোলিংয়ের দিনে তার এই ইনজুরি নিউজিল্যান্ড শিবিরে দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে। মাঠ ছাড়তে হয় তাকে স্ট্রেচারে ভর করে।
ব্যাট হাতে নিউজিল্যান্ড দিন শেষ করে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে। ডিভন কনওয়ে ও টম লাথাম কোনো ঝুঁকি না নিয়ে稳稳 ব্যাটিং করেন। তারা অপরাজিত থেকে স্কোরবোর্ডে ২৪ রান যোগ করেন, যা তাদের এগিয়ে দেয় ১৮১ রানের সুবিধায়।
প্রথম দিনের শেষে ম্যাচের চিত্র স্পষ্ট—নিউজিল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ দৃঢ়, আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সামনে কঠিন লড়াইয়ের মুখে। পরের দিনগুলোতে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।












