
Payal Gaming Deepfake Rumour Goes Viral,Source: social media
সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে জনপ্রিয় গেমিং কনটেন্ট ক্রিয়েটর পায়েল গেমিংকে ঘিরে একটি বিতর্ক। একটি বিতর্কিত ভিডিওকে কেন্দ্র করে নানা গুজব ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে স্বাভাবিকভাবেই অনলাইন দুনিয়ায় কৌতূহল ও বিভ্রান্তি দুটোই তৈরি হয়েছে। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে।
ভিডিওটি পায়েল গেমিংয়ের ব্যক্তিগত মুহূর্ত বলে দাবি করা হলেও, এই তথ্যের পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। অনেক ব্যবহারকারীই প্রশ্ন তুলেছেন ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে এবং শুরু থেকেই একে ভুয়া বা প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ধরনের কনটেন্ট খুব সহজেই ছড়িয়ে পড়ে, যা অনেক সময় বাস্তব মানুষকে মানসিক চাপে ফেলে দেয়।
পায়েল গেমিংয়ের অনুরাগীরা জোর দিয়ে বলছেন, ভিডিওটিতে যিনি দেখা যাচ্ছেন তিনি আদৌ পায়েল নন। তারা লক্ষ্য করেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তির শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও চেহারার নানা অংশ পায়েলের বাস্তব উপস্থিতির সঙ্গে মেলে না। এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে অনেকেই মনে করছেন, এটি ডিপফেইক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা একটি মিথ্যা ভিডিও।
উল্লেখ্য, পায়েল গেমিং ভারতের অন্যতম পরিচিত নারী গেমার। অল্প বয়সেই তিনি গেমিং জগতে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন এবং লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীর কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন। গেমিং লাইভ স্ট্রিম, প্রতিযোগিতা ও বিনোদনমূলক কনটেন্টের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর জনপ্রিয়তার কারণেই সম্ভবত তাঁকে লক্ষ্য করে এমন ভুয়া কনটেন্ট ছড়ানো হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
এই ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একদিকে কিছু মানুষ যাচাই না করেই ভিডিওটি শেয়ার করছেন, অন্যদিকে সচেতন ব্যবহারকারীরা সবাইকে অনুরোধ করছেন গুজবে কান না দিতে। অনেকেই বলছেন, এ ধরনের ভুয়া ভিডিও শেয়ার করা আইনগত সমস্যার পাশাপাশি নৈতিকভাবেও অন্যায়।
এখনও পর্যন্ত পায়েল গেমিং নিজে বা তাঁর টিমের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। তবে তিনি স্বাভাবিকভাবেই নিজের নিয়মিত কাজ ও অনলাইন উপস্থিতি বজায় রেখেছেন, যা অনেকের কাছে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তিনি এই গুজবকে গুরুত্ব দিতে চাইছেন না।
এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়, ডিজিটাল যুগে ভুল তথ্য ও ভুয়া ভিডিও কতটা ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেকোনো ভাইরাল কনটেন্ট দেখার পর সেটির সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। না হলে নির্দোষ মানুষের সম্মান ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।












