
“Research Hurdles Grow for PhD Aspirants in West Bengal”,Photo: K.R. Deepak/The Hindu
পশ্চিমবঙ্গ এবং দেশের অন্যান্য রাজ্যে পিএইচডি গবেষণায় ফেলোশিপের অভাব নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। UGC NET পরীক্ষায় সফল হলেও অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক সমর্থন না পেলে নিজের জোরে গবেষণা চালাতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে তাদের পড়াশোনা এবং গবেষণার মান দুটোই প্রভাবিত হচ্ছে।
মে‑জুন ২০২৫‑এর NET পরীক্ষায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী যোগ্যতা অর্জন করলেও মাত্র কিছু সংখ্যকই জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পেতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে অনেক শিক্ষার্থীকে নিজেদের খরচে পিএইচডি চালাতে হচ্ছে। কিছু শিক্ষার্থী পার্ট‑টাইম কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কেউ পরিবারিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন।
ফেলোশিপের অভাবে গবেষকরা মৌলিক খরচ সামলাতে সমস্যায় পড়ছেন। নন‑NET শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য আর্থিক সহায়তা যথেষ্ট নয়। মাসিক স্টাইপেন্ড কম হওয়ায় অনেকেই জরুরি খরচ এবং গবেষণার ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি আরও গুরুতর। এখানে অনেক মেধাবী গবেষক আর্থিক সংকটের কারণে পড়াশোনা বা গবেষণার স্বপ্ন স্থগিত করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে দেশীয় উন্নয়নমূলক গবেষণার সম্ভাবনাও এই সমস্যার কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, NET‑এ উত্তীর্ণ হওয়া মানেই আর্থিক সহায়তা পাওয়া যাবে, এমন ধারণা এখন বাস্তবসম্মত নয়। ফেলোশিপের সীমিত সংখ্যা এবং বাজেটের অভাব গবেষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে গবেষণার মান কমে যাচ্ছে এবং অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছেন।
সরকারি নীতি অনুযায়ী বর্তমানে মূলত JRF-ধারীদেরই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। NET‑যোগ্য বা নন‑NET শিক্ষার্থীরা অনেক ক্ষেত্রে অবহেলিত থাকছেন। এই বৈষম্য গবেষণা পরিবেশকে অস্থিতিশীল করছে এবং নতুন গবেষকদের জন্য বাধা সৃষ্টি করছে।
শিক্ষাবিদ এবং গবেষকরা দাবি করছেন, ফেলোশিপ বাড়ানো, নন‑NET শিক্ষার্থীদের জন্য ন্যায্য আর্থিক সমর্থন নিশ্চিত করা এবং গবেষণা ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ করা জরুরি। না হলে দেশের উচ্চশিক্ষা গবেষণার ভবিষ্যত ঝুঁকির মধ্যে পড়বে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গসহ অন্যান্য রাজ্যের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য।












