
“Rupee Gains Momentum as Market Sees Relief”,Source: social media
২০২৫ সালের শেষের দিকে ভারতীয় রুপি কিছুটা শক্তিশালী হওয়ার লক্ষণ দেখিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার সক্রিয় হস্তক্ষেপ রুপিকে কিছুটা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এখনো রুপির পুনরুদ্ধার সম্পূর্ণ স্থায়ী নয়।
শুক্রবার রুপি ডলারের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ডলারে প্রায় ৯০.০৭ টাকায় লেনদেন হয়েছে। দিনের মধ্যে এটি সপ্তাহের সর্বোচ্চ স্তর ৮৯.৯৭ পর্যন্ত পৌঁছেছিল। আর্থিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বৃদ্ধি মূলত RBI-র হস্তক্ষেপ এবং বাজারে সাময়িক ইতিবাচক প্রবণতার ফল।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক মুদ্রাস্ফীতি কম হওয়া রুপির জন্য সহায়ক হয়েছে। নভেম্বর মাসে মার্কিন ভোক্তা মূল্যসূচক পূর্বাভাসের তুলনায় কম বৃদ্ধি পায়, যা ডলারের ওপর চাপ কমিয়ে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে এই প্রভাব ভারতের মুদ্রার স্থিতিশীলতাকে কিছুটা সমর্থন দিয়েছে।
তবে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। আমদানি-রপ্তানিতে ডলারের চাহিদা এখনো অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি ডলারের চাহিদা এইভাবে থাকে, তবে রুপির স্থিতিশীলতা অস্থায়ী হয়ে যেতে পারে। তাই এখনের পুনরুদ্ধারকে আপাতত সীমিত ও সতর্কতার সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রুপি যদি ৯০ টাকার নিচে স্থায়ীভাবে অবস্থান নিতে পারে, তাহলে তা দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেবে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠা-নামার ওপর এই পরিস্থিতি নির্ভর করছে।
বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাময়িক কিছু ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেলেও, সামগ্রিকভাবে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ভারতীয় শেয়ার বাজার থেকে প্রস্থান করার প্রবণতা দেখা গেছে। এই কারণেও রুপির স্থিতিশীলতা পুরোপুরি নিশ্চিত নয়।
অন্যদিকে, শেয়ার বাজারেও ইতিবাচক সুর লক্ষ্য করা গেছে। নিফটি ৫০ এবং সেনসেক্স প্রায় ০.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সামান্য উত্থানও রুপির মানকে সহায়তা করেছে। সংক্ষেপে, রুপির সাময়িক শক্তিশালী হওয়া মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি ও RBI-এর হস্তক্ষেপের ফল হলেও, এটি এখনও পুরোপুরি স্থায়ী পুনরুদ্ধার নয়।












