
Punjab Weather Update: Morning Fog and Temperature Changes,Source: social media
নর্থ-ওয়েস্ট ভারতের পাঞ্জাবের আবহাওয়ায় সামান্য পরিবর্তনের লক্ষণ দেখা দিয়েছে। আগামী তিন দিনে রাত্রিকালীন তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও, এরপর আবার হঠাৎ কমতে পারে বলে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। এই ওঠানামা মূলত পশ্চিমি ঝড়ের গতিবিধির কারণে হচ্ছে।
গত কয়েকদিন ধরে পাঞ্জাবে শীতের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে। ফরিদকোটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা মাত্র ৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং অমৃতসরে ৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমেছে। কিছু এলাকায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৫-৬ ডিগ্রি বেশি ছিল। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হোশিয়াপুরে ১৩.৪ ডিগ্রি এবং ফাজিল্কায় ২৪ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়েছে, যদিও কিছু স্থানে এটি স্বাভাবিকের চেয়ে কম ছিল।
শীতকালীন এই সময়ে পাঞ্জাবের বিভিন্ন স্থানে ঘন কুয়াশা বিরাজ করছে। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা অনেক জায়গায় ৫০ মিটারেরও কম হয়ে এসেছে, যা সকাল-বিকেলের চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে যানবাহন চালানো বা বাইকে যাত্রা করা অনেক সময় বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আগামী তিন দিনে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও এটি স্থায়ী হবে না। এরপর আবার তাপমাত্রা কমে যাবে। এছাড়া, ডিসেম্বরে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছু এলাকায় থাকলেও সাধারণভাবে পুরো অঞ্চল শুষ্ক আবহাওয়ার মধ্যে থাকবে।
এই পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে শীতের সকালে কুয়াশার মধ্যে গাড়ি বা বাইকে চলাচল করার সময় বিশেষ মনোযোগ প্রয়োজন। তাপমাত্রার ওঠানামা ও কুয়াশা স্বাস্থ্যগত সমস্যা এবং দৈনন্দিন জীবনের ব্যাহত হওয়ার কারণ হতে পারে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিমি disturbances বা আবহাওয়ার চাপকেন্দ্রের পরিবর্তনের কারণে উত্তর ভারতের তাপমাত্রা স্বল্পমেয়াদে ওঠানামা করছে। এটি সাধারণত শীতকালে স্বাভাবিক ঘটনা হলেও মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও যাতায়াতে প্রভাব ফেলতে পারে।
সাধারণ মানুষদের জন্য পরামর্শ হলো, শীতকালে উপযুক্ত পোশাক ব্যবহার করা, সকালে ঘন কুয়াশার সময় বাহিরে যাবার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা এবং বাড়িতে বা গাড়িতে পর্যাপ্ত উষ্ণতা বজায় রাখা। এতে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে এবং দৈনন্দিন কাজের ক্ষতি হ্রাস পাবে।












