
Major Tariff Cuts as India-New Zealand Trade Pact Finalized,Source: social media
ভারত ও নিউজিল্যান্ড দীর্ঘ দিনের আলোচনার পর অবশেষে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে। এই চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ পণ্যে শুল্ক কমানো বা বাতিল করা হবে, যা উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করবে।
চুক্তির ফলে ভারতের বাজারে নিউজিল্যান্ডের পণ্যের প্রবেশ সহজ হবে এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি শুধুমাত্র পণ্যের লেনদেন নয়, বরং দু’দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সহযোগিতার দিকও দৃঢ় করবে।
ভারতের রপ্তানির ক্ষেত্রেও এটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। বস্ত্র, হাউমেডিক্যালস, ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য ও খাদ্যশস্যের মতো পণ্যগুলোকে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করার সুযোগ তৈরি হবে। একইভাবে, নিউজিল্যান্ডের কাঠ, ফল এবং কৃষি পণ্যও ভারতের বাজারে সহজে প্রবেশ করতে পারবে।
চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয়েছে, যা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মাত্র নয় মাসের মধ্যে আলোচনার সমাপ্তি দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও মজবুত করবে। এই দ্রুত অগ্রগতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলে ইতিমধ্যেই প্রশংসিত হয়েছে।
তবে চুক্তির কিছু শর্ত নিয়ে সমালোচনাও দেখা দিয়েছে। নিউজিল্যান্ডের কিছু ব্যবসায়ী মনে করছেন, তাদের কিছু ক্ষেত্রে বেশি ছাড় দেওয়া হয়েছে, যা কিছু শিল্পে প্রতিযোগিতার চাপ বাড়াতে পারে। বিশেষ করে ডেইরি ও কৃষি পণ্যের ক্ষেত্রে এটি প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী বছরের প্রথমার্ধে কার্যকর হবে। তবে ইতিমধ্যেই এর প্রভাব আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক মহলে দেখা যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করবে।
শুধু পণ্য রপ্তানিতে নয়, এই চুক্তি পরিষেবা, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। যুবকরা এই নতুন চুক্তির মাধ্যমে নতুন সুযোগ এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র খুঁজে পাবে, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক সংকেত।












