পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনা এবার আরও তীব্র আকার নিয়েছে। পাকিস্তান সরকার আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘খোলা যুদ্ধ’ ঘোষণার কথা জানিয়েছে এবং ডুরান্ড লাইনের কাছে একাধিক এলাকায় বিমান হামলা চালানোর দাবি করেছে। সীমান্তে ধারাবাহিক সংঘর্ষ ও নিরাপত্তা ইস্যুকে কেন্দ্র করেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের লক্ষ্য ছিল সীমান্তবর্তী সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটি ও জঙ্গি কার্যকলাপ দমন করা। অন্যদিকে আফগানিস্তানের তালেবান প্রশাসন পাল্টা অভিযোগ করেছে যে পাকিস্তান তাদের ভূখণ্ডে হামলা চালিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করছে। দুই দেশই নিজেদের অবস্থানকে সঠিক বলে দাবি করছে এবং একে অপরকে উসকানির জন্য দায়ী করছে।
এই সংঘর্ষের জেরে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। হতাহতের খবরও সামনে আসছে, যদিও দুই দেশের দেওয়া পরিসংখ্যানে ভিন্নতা রয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং সামরিক প্রস্তুতিও বাড়ানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মহল এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য এই সংঘাত বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কূটনৈতিকভাবে সমস্যার সমাধান না হলে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে, যার প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের জীবন ও আঞ্চলিক শান্তির উপর।













