
Aequs IPO: Investors Gain on Listing Day but GMP Hype Falls Short,(Photo Courtesy: Company Website)
দেশের বিমান ও এয়ারোস্পেস খাতে কাজ করা Aequs Limited–এর শেয়ার ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রথমবারের মতো BSE এবং NSE–তে লেনদেন শুরু করেছে। IPO চলাকালীন বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো, কারণ কোম্পানি প্রায় ৭২২ কোটি টাকার শেয়ার ইস্যু করে বাজারে প্রবেশ করেছিল। ইস্যু দামের প্যান্ড রাখা হয়েছিল প্রতি শেয়ার ₹১১৮–₹১২৪, যা তালিকাভুক্তির আগেই আলোচনায় ছিল।
IPO–র আগে গে-মার্কেট বা অনানুষ্ঠানিক বাজারে শেয়ারের প্রতি প্রচণ্ড চাহিদা দেখা যায়। Grey Market Premium বা GMP–র ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছিল, তালিকাভুক্তির দিনে শেয়ারটি ইস্যু দামের তুলনায় ২৫%–৩০% পর্যন্ত লাভ দেখাতে পারে। এই প্রত্যাশা অনেক খুচরা বিনিয়োগকারীকে আরও উৎসাহী করে তোলে।
তবে বাস্তবে তালিকাভুক্তির দিনে শেয়ারের সূচনা তেমন জোরালো ছিল না। শেয়ারটি বাজারে খোলে প্রতি শেয়ার ₹১৪০ মূল্যে, যা ইস্যু দামের তুলনায় প্রায় ১৩% বেশি। যদিও এটি ক্ষতির নয়, তবুও গে-মার্কেটের তুলনামূলক উত্তেজনার পাশে এই লাভকে অনেকেই মৃদু বা সংযত বলে মনে করেছেন।
যারা IPO–তে একটি সাধারণ লট হিসেবে ১২০ শেয়ার পেয়েছিলেন, তালিকাভুক্তির দিনেই তারা প্রায় ₹১,৯২০ লাভ করতে সক্ষম হন। আরও বড় পরিমাণে শেয়ার বরাদ্দ পাওয়া বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রেও লিস্টিং-লাভ উল্লেখযোগ্য ছিল। তবে প্রত্যাশার তুলনায় লাভ কম হওয়ায় বাজারে কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কোম্পানির আর্থিক পটভূমি এখনো কিছুটা চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে গত বছরে নেট লস রিপোর্ট করা এবং মূল্যায়নে negative P/E থাকা বিষয়গুলো অনেক বিনিয়োগকারীর জন্য সতর্কতার কারণ। ফলে স্বল্পমেয়াদে শেয়ারের ওঠানামা বেশি হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
তবে Aequs–এর ব্যবসায়িক ক্ষেত্র — বিশেষত এয়ারোস্পেস, প্রিসিশন ম্যানুফ্যাকচারিং এবং উচ্চমানের শিল্পগত প্রক্রিয়া — দীর্ঘমেয়াদে ভালো সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। কোম্পানি যেভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের অবস্থান শক্ত করতে চাইছে, তা ভবিষ্যতের পারফরম্যান্সকে প্রভাবিত করবে।
সব মিলিয়ে, Aequs IPO–র লিস্টিং ছিল সামগ্রিকভাবে “মিশ্র অভিজ্ঞতা”। একদিকে বিনিয়োগকারীরা লিস্টিং-দিনে লাভ পেয়েছেন, অন্যদিকে গে-মার্কেট-এর উচ্ছ্বাস বাস্তব বাজারে পুরোপুরি দেখা যায়নি। এখন নজর থাকবে কোম্পানির আর্থিক পুনরুদ্ধার এবং পরবর্তী ব্যবসায়িক ফলাফলের দিকে, যা শেয়ারের ভবিষ্যৎ পথ নির্ধারণ করবে।













