
Android Users Report Mysterious Redirect Through “search.app”,Source official website
সাম্প্রতিক সময়ে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের মধ্যে এক ধরনের বিভ্রান্তি দেখা গেছে গুগল অ্যাপের নতুন আপডেটকে ঘিরে। অনেকেই লক্ষ্য করেছেন, গুগলের ইন-অ্যাপ ব্রাউজার থেকে যখন কোনো ওয়েবপেজ শেয়ার করা হয়, তখন লিংকের শুরুতে দেখা যাচ্ছে একটি নতুন ডোমেইন—“search.app”। আগের সংস্করণগুলোতে এমন আচরণ দেখা যায়নি, তাই বেশ কয়েকজন ব্যবহারকারী প্রথমে এটিকে নিরাপত্তা সমস্যা বা ভাইরাস সংক্রমণ ভাবতে শুরু করেছিলেন।
গুগল অ্যাপের সাম্প্রতিক আপডেটের পর এই পরিবর্তনটি ধীরে ধীরে চোখে পড়তে শুরু করে। বিশেষ করে যারা সোশ্যাল মিডিয়া বা মেসেজিং অ্যাপে ওয়েবপেজ শেয়ার করেন, তারা দ্রুতই বুঝতে পারেন লিংকটি সরাসরি মূল সাইটে না গিয়ে প্রথমে নতুন ডোমেইনের মাধ্যমে রিডাইরেক্ট হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই অনেকের মনে প্রশ্ন—এই নতুন ঠিকানার উদ্দেশ্য কী?
প্রাথমিক বিশ্লেষণে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা জানান, “search.app” মূলত একটি রিডাইরেকশন ডোমেইন, যা ব্যবহারকারীর শেয়ার করা লিংক নিয়ে অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহে গুগলকে সহায়তা করতে পারে। এতে জানা যায়, কোন লিংক শেয়ার হয়েছে, সেটি কোন অ্যাপ থেকে পাঠানো হয়েছে এবং ব্যবহারকারী শেষ পর্যন্ত কোথায় পৌঁছেছেন। এটি মূলত গুগলের ডেটা বিশ্লেষণের একটি অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে আরেকটি দিক হলো নিরাপত্তা। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, এই রিডাইরেকশন ব্যবস্থাটি ফিশিং এবং ক্ষতিকর ওয়েবসাইট শনাক্ত করতে সহায়তা করতে পারে। যখন ব্যবহারকারী কোনো সন্দেহজনক লিংক শেয়ার বা খোলেন, গুগল চাইলে আগে থেকেই সতর্কতা দিতে পারে বা সেটি ব্লক করতে পারে। ফলে সাধারণ ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা আরও জোরদার হতে পারে।
যদিও এই ব্যাখ্যাগুলো প্রযুক্তিগত মহলে আলোচিত, তবুও গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিশদ মন্তব্য করেনি। এই নীরবতার কারণেই অনেক ব্যবহারকারীর মধ্যে সন্দেহ আরও বেড়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন রিডাইরেকশন মানে ব্যবহারকারীর অনলাইন কার্যকলাপ আরও বেশি ট্র্যাক করা সম্ভব হচ্ছে।
এদিকে কিছু ব্যবহারকারী জানান, তাদের কাছে এটি খুব বেশি সমস্যাজনক মনে হচ্ছে না। কারণ লিংকের মধ্যে ডোমেইন বদলানো ছাড়া ব্যবহার অভিজ্ঞতায় বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। আবার কেউ কেউ বলছেন, তারা চাইলে ইন-অ্যাপ ব্রাউজার বন্ধ করে সরাসরি ক্রোম বা অন্য ব্রাউজার দিয়ে মূল URL শেয়ার করছেন।
সব মিলিয়ে বলা যায়, গুগল অ্যাপের নতুন রিডাইরেকশন পদ্ধতি ব্যবহারকারীদের মাঝে কৌতূহল ও উদ্বেগ—দুটি অনুভূতি একসঙ্গে সৃষ্টি করেছে। গুগল যদি শীঘ্রই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়, তবে বিভ্রান্তি অনেকটাই কমে যাবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।












