
Australia Eye Series Win as Ashes Move to Adelaide,Source: News Corp Australia
অ্যাশেজ সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অ্যাডিলেড ওভাল আবারও সাক্ষী হতে চলেছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের তীব্র লড়াইয়ের। সিরিজে অস্ট্রেলিয়া ইতিমধ্যেই ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় এই ম্যাচ ইংল্যান্ডের কাছে কার্যত ‘করো বা মরো’ পরিস্থিতি তৈরি করেছে। হারের চাপ, মানসিক ধাক্কা এবং সমালোচনার মাঝেই মাঠে নামতে হচ্ছে সফরকারী দলকে।
প্রথম দুই টেস্টে ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই ইংল্যান্ড ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে উইকেট হারানো এবং বোলারদের নিষ্প্রভতা দলকে পিছিয়ে দিয়েছে। অ্যাডিলেডের পিচ ঐতিহ্যগতভাবে ব্যাটসম্যানদের সহায়ক হলেও আলো-ছায়ার পরিবর্তনে বোলারদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার শিবিরে রয়েছে আত্মবিশ্বাসের জোয়ার। সিরিজে এগিয়ে থাকার পাশাপাশি দলে নেতৃত্বের স্থিরতা ও অভিজ্ঞতার সমন্বয় তাদের বড় শক্তি। ঘরের মাঠে খেলার সুবিধা, দর্শকদের সমর্থন এবং অ্যাডিলেডে ভালো রেকর্ড অজিদের আরও একধাপ এগিয়ে রাখছে। দল চাইবে এই ম্যাচেই সিরিজ নিজেদের করে নিতে।
ইংল্যান্ড শিবিরে একাধিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। বোলিং আক্রমণকে আরও ধারালো করতে দলে নতুন মুখ আনার ভাবনা চলছে। অধিনায়ক বেন স্টোকস জানেন, এখানে রক্ষণাত্মক ক্রিকেট খেললে চলবে না; আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়েই নামতে হবে মাঠে, নইলে সিরিজ হাতছাড়া হয়ে যাবে।
এই ম্যাচ ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে জফরা আর্চার ও স্টিভ স্মিথের সম্ভাব্য দ্বৈরথ। অতীতে এই দুই তারকার মুখোমুখি লড়াই ক্রিকেটপ্রেমীদের আলাদা উত্তেজনা উপহার দিয়েছে। পেস বনাম টেকনিকের এই সংঘর্ষ অ্যাডিলেড টেস্টের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে।
অ্যাডিলেডের দিন-রাতের আবহাওয়া ম্যাচের গতিপথে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। গোলাপি বলের আচরণ, সন্ধ্যার সময় সুইং এবং পিচের ধীরগতির পরিবর্তন দুই দলকেই কৌশল বদলাতে বাধ্য করবে। টসের সিদ্ধান্তও হতে পারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সব মিলিয়ে তৃতীয় টেস্ট শুধু একটি ম্যাচ নয়, এটি ইংল্যান্ডের সম্মান বাঁচানোর লড়াই এবং অস্ট্রেলিয়ার আধিপত্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ। ফলাফল যাই হোক, ক্রিকেটপ্রেমীরা যে একটি টানটান, আবেগে ভরপুর অ্যাশেজ যুদ্ধ দেখতে চলেছেন, তা বলাই যায়












