বড় মামলায় শারজিল-উমরের জামিন নিয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই | Big Conspiracy Case: SC to Decide Sharjeel–Khalid Bail Soon

Big Conspiracy Case: SC to Decide Sharjeel–Khalid Bail Soon

Big Conspiracy Case: SC to Decide Sharjeel–Khalid Bail Soon,Source official website

সুপ্রিম কোর্ট ২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লির সহিংসতা ঘিরে দায়ের হওয়া তথাকথিত ‘বড় ষড়যন্ত্র’ মামলায় শারজিল ইমাম ও উমর খালিদের জামিন আবেদনের উপর রায় ঘোষণা স্থগিত করেছে। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে মামলার বিচার না হওয়ায় তাঁদের আইনজীবীরা বহুবার জামিনের আবেদন করলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। নতুন এই শুনানিতে উভয় পক্ষের যুক্তি শুনে আদালত জানায়, সমস্ত নথি ও প্রয়োজনীয় দলিল জমা দেওয়ার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

দিল্লি হাইকোর্ট গত বছর তাঁদের জামিন আবেদন খারিজ করেছিল। সেই রায়কেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে ওঠেন। তাঁদের দাবি, মামলার বিচার শুরুই হয়নি, ফলে বিনা বিচারে বছরের পর বছর জেলে কাটানো ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। তাঁদের পক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি দেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়া অপরাধ নয় এবং আইনের অপব্যবহার করে তাঁদের দীর্ঘদিন ধরে বন্দি রাখা হচ্ছে।

আজকের শুনানিতে বিচারপতি অরবিন্দ কুমার ও বিচারপতি এন. ভি. অঞ্জারিয়ার বেঞ্চ জানায়, মামলার নথিপত্র বিস্তৃত হওয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সব দিক খতিয়ে দেখা জরুরি। ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে সব নথি জমা দিতে হবে এবং আদালত ছুটিতে যাওয়ার আগেই রায় ঘোষণা করার চেষ্টা করবে। এই কারণে রায় আপাতত সংরক্ষণ রাখা হলো।

Also Read:  বাড়িতে বসে মোবাইল দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সম্পূর্ণ গাইড | How to Apply Driving Licence from Home Using Parivahan Sewa

পুলিশ ও সরকারি পক্ষের যুক্তিতে বলা হয়, ২০২০ সালের সহিংসতা কোনো আকস্মিক দাঙ্গা ছিল না। তাঁদের দাবি, এটি ছিল পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, যেখানে বিভিন্ন ভাষণ, বার্তা ও সমন্বিত কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে বিভেদ ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তাই মামলাটি গুরুতর এবং অভিযুক্তদের জামিন দেওয়া হলে তদন্ত বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

অন্যদিকে, প্রতিরক্ষা পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ বিপরীত। তাঁদের দাবি, অভিযুক্তরা শুধুই নাগরিক হিসেবে মত প্রকাশের অধিকার প্রয়োগ করেছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে পেশ করা অভিযোগগুলো অনুমাননির্ভর এবং যথেষ্ট প্রমাণ এখনো আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি। এত দীর্ঘ সময় কারাগারে আটকে রাখা তাঁদের মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন—এই কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন আইনজীবীরা।

মামলায় শুধু শারজিল ইমাম ও উমর খালিদই নন, আরও বেশ কয়েকজন যুবক ও শিক্ষার্থী অভিযুক্ত হিসেবে আছেন। বহুজন প্রায় পাঁচ বছর ধরে জেলবন্দি অবস্থায় আছেন, যা নিয়ে মানবাধিকার সংগঠন ও আইন বিশেষজ্ঞরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, বিচার বিলম্বিত হলে ন্যায়বিচারও ভোগে।

সুপ্রিম কোর্টের আজকের সিদ্ধান্তে মামলাটি নতুন মোড় নিয়েছে। এখন নজর ১৯ ডিসেম্বরের দিকে—সেই দিনই জানা যাবে আদালত তাঁদের জামিন দেবে কি না। দীর্ঘ অপেক্ষার পর এই রায় শুধুমাত্র অভিযুক্তদের নয়, বরং ভারতের বিচারব্যবস্থায় বিলম্ব ও মৌলিক অধিকার রক্ষার প্রসঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ নজির হতে পারে।

Also Read:  ধুরন্ধর বক্স অফিস ডে ১২: রণবীর সিংহের ছবির রেকর্ড সাফল্য | Dhurandhar Box Office Day 12: Ranveer Singh Film Creates New Records

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top