
Dhurandhar Emerges as a Strong Box Office Performer,Photo Credit: Special Arrangement
রণবীর সিং অভিনীত ছবি ‘ধুরন্ধর’ মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। বছরের শেষভাগে এসে এমন একটি ছবির সাফল্য বলিউডের জন্য নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর। প্রথম দিন থেকেই দর্শকদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো, যার প্রভাব সরাসরি টিকিট কাউন্টার ও প্রেক্ষাগৃহের ভিড়ে স্পষ্ট হয়েছে। অনেকেই এই ছবিকে রণবীর সিংয়ের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে দেখছেন।
ছবির মূল শক্তি এর গল্প বলার ধরণ ও চরিত্র নির্মাণ। ‘ধুরন্ধর’-এ রণবীরকে এমন এক চরিত্রে দেখা গেছে, যেখানে আবেগ, আগ্রাসন ও মানসিক দ্বন্দ্ব একসঙ্গে মিশে আছে। তাঁর অভিনয়ে আত্মবিশ্বাস ও পরিণত ভাব দর্শকদের মনে দাগ কেটেছে। সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে সিনেমা সমালোচক—অনেকেই তাঁর পারফরম্যান্সের প্রশংসা করছেন।
বক্স অফিসের সংখ্যার দিকে তাকালে দেখা যায়, মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ছবিটি উল্লেখযোগ্য অঙ্কের ব্যবসা করেছে। সপ্তাহান্তে আয় বেড়েছে এবং কর্মদিবসেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় থেকেছে। ইদানীং যেখানে অনেক ছবি দ্রুত গতি হারাচ্ছে, সেখানে ‘ধুরন্ধর’ ধীরে কিন্তু স্থিরভাবে এগোচ্ছে, যা ছবির ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী করে তুলছে।
এই সাফল্যের আরেকটি বড় কারণ হল মুখে-মুখে ইতিবাচক প্রচার। যারা হলে গিয়ে ছবি দেখছেন, তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন। এর ফলেই শহরের পাশাপাশি ছোট শহর ও মফস্বল এলাকাতেও দর্শকসংখ্যা বাড়ছে। বহু সিঙ্গল স্ক্রিন হলে দীর্ঘদিন পর আবার প্রাণ ফিরে এসেছে।
ছবির সঙ্গীত এবং আবহসংগীতও দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। গানগুলো গল্পের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে মিশে গেছে, আলাদা করে জোর করে বসানো মনে হয় না। পাশাপাশি অ্যাকশন দৃশ্যগুলির পরিকল্পনা ও চিত্রগ্রহণ ছবির গতি ধরে রাখতে সাহায্য করেছে।
সহ-অভিনেতারাও নিজেদের কাজের মাধ্যমে ছবিকে সমৃদ্ধ করেছেন। প্রত্যেকটি চরিত্র গল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী গড়ে উঠেছে, ফলে কোনও অংশই অপ্রয়োজনীয় মনে হয় না। পরিচালনার ক্ষেত্রেও ছবিটি পরিণত ভাবের পরিচয় দিয়েছে বলে মত অনেকের।
সব মিলিয়ে ‘ধুরন্ধর’ শুধুমাত্র বাণিজ্যিক সাফল্য নয়, বরং রণবীর সিংয়ের কেরিয়ারে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আগামী দিনে ছবিটি আরও কতটা দূর যেতে পারে, তা সময়ই বলবে, তবে এই মুহূর্তে বলিউডে ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে আলোচনা যে থামছে না, তা স্পষ্ট।












