
Draft Electoral Roll Published for Gujarat Assembly Seats,Source: social media
গুজরাটের সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন কর্মসূচির আওতায় এই খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে, যার মূল লক্ষ্য হলো ভোটার তালিকাকে আরও নির্ভুল, স্বচ্ছ ও হালনাগাদ করা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভোটার সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের ভুলত্রুটি সংশোধনের সুযোগ মিলবে।
খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরই শুরু হবে দাবি ও আপত্তি জানানোর প্রক্রিয়া। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সাধারণ মানুষ তাদের নাম, ঠিকানা বা অন্যান্য তথ্য যাচাই করতে পারবেন। কোনো ভুল থাকলে সংশোধনের আবেদন কিংবা নতুন ভোটার হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ থাকবে। এই ধাপটি ভোটারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন নির্বাচন সংক্রান্ত কর্মকর্তারা।
নির্বাচন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই বুথ স্তরের কর্মকর্তারা এলাকাভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ করেছেন। মৃত ভোটার, স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত নাগরিক এবং দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ভোটারদের তথ্য আলাদা করে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর ফলে ভোটার তালিকা থেকে অপ্রাসঙ্গিক নাম বাদ দেওয়া সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষ এই সংশোধন অভিযানের সময় ঘরে ঘরে গিয়ে ফর্ম বিতরণ করা হয়েছিল। নাগরিকদের কাছ থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করায় বাস্তব পরিস্থিতির প্রতিফলন ভোটার তালিকায় পড়বে বলে মনে করছে প্রশাসন। এই প্রক্রিয়ায় তরুণ ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্তির দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের মতে, সঠিক ভোটার তালিকা শুধু নির্বাচন ব্যবস্থাকেই শক্তিশালী করে না, বরং গণতন্ত্রের ভিতও মজবুত করে। ভুল তথ্য বা অনিয়মিত তালিকার কারণে অনেক সময় ভোটাধিকার প্রয়োগে সমস্যা দেখা দেয়, যা এই উদ্যোগের মাধ্যমে অনেকটাই কমবে।
সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য স্থানীয় স্তরে প্রচার অভিযানও চালানো হচ্ছে। ভোটারদের অনুরোধ করা হয়েছে, তারা যেন নিজের তথ্য ভালোভাবে যাচাই করেন এবং প্রয়োজন হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আবেদন জানান। এতে চূড়ান্ত তালিকা তৈরির কাজ আরও সহজ ও দ্রুত হবে।
সব মিলিয়ে গুজরাটে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই বিশেষ উদ্যোগকে আগামী দিনের নির্বাচনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রশাসন ও নাগরিকদের যৌথ অংশগ্রহণেই একটি নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি সম্ভব, যা ভবিষ্যতে সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন পরিচালনায় সহায়ক হবে।












