
How India’s FTAs Are Shaping Its Economy,Source: social media
ভারত সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নতুন মানচিত্রে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। নিউজিল্যান্ড, ওমান, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এই চুক্তি মূলত রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং ভারতীয় পণ্যের বৈচিত্র সম্প্রসারণের উদ্দেশ্য নিয়ে গৃহীত হয়েছে।
গত কয়েক বছরে ভারতের স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলো বিভিন্ন ফলাফল দিয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে রপ্তানিতে সাফল্য দেখা গেলেও কিছু ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক ঘাটতি বেড়েছে। উদাহরণস্বরূপ, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে বাণিজ্যে ভারতে এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে, যেখানে ভারতে আমদানি বেশি হওয়ায় ঘাটতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে চুক্তি ভারতের জন্য নতুন বাজার খুলেছে। বিশেষ করে ফলমূল, আসবাবপত্র, তেলজাতীয় পণ্য ও অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানিতে সুবিধা বাড়িয়েছে। এই ধরনের চুক্তি ভারতীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলোকেও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ দেয়।
তবে সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যায়নি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ভারতে পণ্যের বাণিজ্যে বড় ধরনের ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে, যা বিদেশি বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা অর্জনের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। এটি দেখায় যে, বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাভ হয় না, কার্যকর বাস্তবায়নের প্রয়োজন।
শ্রীলঙ্কার সঙ্গে দীর্ঘদিনের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ভারতের যানবাহন ও জাহাজ রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করেছে। এই চুক্তি শুধু রপ্তানি নয়, ভারতীয় শিল্পের বহুমুখী সক্ষমতাও আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এসব চুক্তি অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করেছে এবং ভারতীয় পণ্যের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে রপ্তানির সুবিধা সীমিত এবং আরও নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।
সার্বিকভাবে, ভারতের বাণিজ্য চুক্তিগুলো দীর্ঘমেয়াদে কার্যকরভাবে কাজ করতে হলে কৌশলগত পরিকল্পনা, রপ্তানির নীতি সমন্বয় এবং নতুন বাজারে প্রবেশের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। চুক্তিগুলি শুধু স্বাক্ষরিত হওয়ায় নয়, বাস্তবায়িত হওয়ায়ই












