
Iltija Mufti Praises ‘Dhurandhar’, Calls the Film Strong and Well-Made,Source official website
জম্মু ও কাশ্মীরের রাজনীতিতে পরিচিত নাম মেহবूबা মুফতি। তবে এবার আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন তার কন্যা ইলতিজা মুফতি—রাজনীতি নয়, বরং একটি বলিউড চলচ্চিত্রকে ঘিরে। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে নানান বিতর্কের মাঝেই ইলতিজার প্রশংসামূলক মন্তব্য নতুন তরঙ্গ তুলেছে সামাজিক মাধ্যমে। ছবিটি নিয়ে যখন সমালোচনা ও প্রশংসা দুটোই চলছে, তখন তার মতামত সাধারণ দর্শকদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ইলতিজা জানিয়েছেন, তিনি সিনেমাটি দেখে বেশ অবাক হয়েছেন। কারণ, এত আলোচনা-সমালোচনার ভিড়েও তার মতে ছবিটি অত্যন্ত সুন্দরভাবে সাজানো। তিনি স্পষ্টভাবে লিখেছেন যে গল্পের গতিময়তা, সংলাপ এবং দৃশ্যায়ন তাকে চমকে দিয়েছে। তার বক্তব্যে মনে হয়েছে, ছবির কাঠামো ও উপস্থাপন তাকে ভীষণভাবে টেনেছে।
বিশেষভাবে তিনি প্রশংসা করেছেন ছবির কাস্টিং। ইলতিজার মতে, চরিত্র বাছাই এই ছবির ক্ষেত্রে ‘পারফেক্ট’ হয়েছে। প্রতিটি চরিত্র নিজের জায়গায় যথেষ্ট দৃঢ় এবং গুরুত্ববহ। অভিনেতাদের অভিনয়ে এমন এক স্বাভাবিকতা রয়েছে, যা দর্শককে গল্পের ভেতরে টেনে নিয়ে যায়।
নারী চরিত্রের চিত্রণ নিয়েও তিনি খোলাখুলি নিজের মতামত জানান। বলিউডে বহুদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে যে অ্যাকশনভিত্তিক বা পুরুষ-প্রধান ছবিতে নারীরা প্রায়ই কেবল প্রপ হিসেবেই থাকে। কিন্তু ‘ধুরন্ধর’ তার সেই ধারণা বদলে দিয়েছে। ইলতিজা মনে করেন, এ ছবিতে নারীদের ভূমিকা দৃঢ়, সক্রিয় এবং গল্পের গুরুত্বপূর্ণ মোড় বদলানোর ক্ষমতা রাখে।
ইলতিজার পোস্ট ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার মতকে সমর্থন করেছেন, আবার কেউ প্রশ্ন তুলেছেন—রাজনৈতিক পরিচিতি কি সিনেমার প্রতি মূল্যায়নকে প্রভাবিত করেছে? তবে অধিকাংশের মতে, ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা যেকোনো শিল্পের স্বাস্থ্যকর বিকাশের জন্য প্রয়োজন, এবং দর্শক হিসেবে প্রত্যেকের নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থাকাটাই স্বাভাবিক।
চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট মহলেও ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে নানা মন্তব্য ভেসে আসছে। কেউ বলছেন, ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর এবং অ্যাকশন দৃশ্য দুর্দান্ত, আবার কেউ মনে করছেন গল্পের কিছু অংশ আরও সংক্ষিপ্ত হতে পারত। নানা মতের এই আদান-প্রদানই ছবিটিকে ঘিরে আলোচনাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।
শেষ পর্যন্ত, ইলতিজা মুফতির মন্তব্য ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে চলমান আলোচনা নতুন মাত্রা দিয়েছে। তার মতো জনপরিচিত ব্যক্তিত্বের মূল্যায়ন দর্শকদের দৃষ্টিভঙ্গিকেও প্রভাবিত করছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, সিনেমাটি এখন শুধু বিনোদনের ক্ষেত্রেই নয়, বরং সমাজ ও রাজনীতির আলোচনাতেও জায়গা করে নিচ্ছে।












