
IndiGo Crisis Deepens as Regulators Act on Safety Oversight Failures,Source official website
ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সে সাম্প্রতিক অপারেশনাল বিশৃঙ্খলার পর দেশের বিমান নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা DGCA কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। সংস্থাটি চারজন ফ্লাইট অপারেশন ইনসপেক্টরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে, যারা ইন্ডিগো-র দৈনন্দিন ফ্লাইট অপারেশন ও নিরাপত্তা বিধি অনুসরণ তদারকি করতেন। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, দায়িত্ব পালনে তাঁদের একাধিক ত্রুটি ও নজরদারির ঘাটতি ছিল।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইন্ডিগো যাত্রীদের অসন্তোষ চরমে পৌঁছেছিল, কারণ বিমান সংস্থাটি বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়। পাইলট রোস্টারিং, শিডিউল ম্যানেজমেন্ট এবং নতুন নিরাপত্তা নিয়ম মেনে চলায় চরম সমস্যা দেখা দেওয়ায় বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়তে থাকে। অনেক আন্তর্জাতিক রুটেও প্রভাব পড়ে, যা বিষয়টিকে গুরুতর পর্যায়ে নিয়ে যায়।
DGCA-র তদন্তে উঠে এসেছে যে বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা ইন্ডিগো-র ক্রু ব্যবস্থাপনা, স্ট্যান্ডবাই সাপোর্ট, ফ্লাইট শিডিউল বিশ্লেষণ এবং নিরাপত্তাবিধি প্রয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ পরিদর্শন করেননি। তাদের পর্যবেক্ষণের ঘাটতি ইন্ডিগো-র অভ্যন্তরীণ অপারেশনকে আরও দুর্বল করেছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংস্থাটি ইতিমধ্যেই ইন্ডিগো-র কর্পোরেট সদর দফতরে দুইটি বিশেষ মনিটরিং টিম বসিয়েছে। এই টিমগুলো প্রতিদিনের ফ্লাইট ডেটা, বিলম্ব, বাতিল এবং ক্রু ব্যবহারের রিপোর্ট সংগ্রহ করে DGCA-কে জানাচ্ছে। এর পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত অডিট চালানোর কথাও ভাবা হচ্ছে বলে সূত্রে জানা গেছে।
ফ্লাইট অপারেশন ইনসপেক্টরদের বরখাস্ত হওয়া সাধারণত খুব বিরল ঘটনা। কারণ তাঁরা বিমান নিরাপত্তা মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাই এই পদক্ষেপ ইন্ডিগো সংকটের গুরুত্ব এবং DGCA-র শূন্য সহনশীলতার বার্তা স্পষ্ট করে।
ইন্ডিগো যদিও জানিয়েছে যে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে এবং ফ্লাইট সংখ্যা আগের মতো ফিরিয়ে আনা হচ্ছে, তবুও DGCA বিমান সংস্থাকে পাইলট সংখ্যা বাড়ানো, রোস্টারিং উন্নত করা এবং জরুরি ব্যবস্থাপনায় নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। এতে ভবিষ্যতে এমন সংকট এড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ঘটনাটি শুধু ইন্ডিগো নয়, গোটা ভারতীয় বিমান চলাচল খাতের জন্য বড় শিক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে অপারেশনাল শৃঙ্খলা, আধুনিকীকরণ এবং নিয়মিত তদারকির গুরুত্ব আরেকবার প্রমাণিত হলো।













