
IndiGo Responds to DGCA Notice as Cancellation Crisis Deepens,Credit: Reuters Photo
IndiGo–র সাম্প্রতিক ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্ব নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার জবাবে সংস্থাটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা DGCA-র কাছে আরও কিছুটা সময় চেয়েছে। এয়ারলাইন জানিয়েছে, এত কম সময়ের মধ্যে পুরো নেটওয়ার্কের সমস্যার নির্ভুল কারণ তুলে ধরা সম্ভব নয়। তারা বলেছে, যাত্রীদের অসুবিধা বুঝলেও, মূল কারণ খুঁজে বের করতে বিস্তারিত বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে।
সংস্থার মতে, ফ্লাইট সমস্যার পেছনে একাধিক বিষয় একসঙ্গে কাজ করেছে। প্রযুক্তিগত ত্রুটি, ক্রু-রোস্টারের নতুন নিয়ম, শীতকালীন সূচির চাপ, হঠাৎ খারাপ আবহাওয়া ও অপারেশনাল জটিলতাকে তারা মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। IndiGo জানিয়েছে, এগুলোর মধ্যে কোনটি কতটা প্রভাব ফেলেছে—সেটি বুঝতে সময় লাগবে।
DGCA এয়ারলাইনকে নোটিশ পাঠিয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছিল কেন একাধিক ফ্লাইট হঠাৎ বাতিল বা দেরি হচ্ছে। এর জবাবে IndiGo জানিয়েছে, তারা ‘রুট কজ অ্যানালিসিস’ করতে চায় যাতে ভবিষ্যতে একই সমস্যা না ফেরে। সংস্থার বক্তব্য, এই কাজ দ্রুত শেষ করতে গেলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ পড়তে পারে, তাই তারা পর্যাপ্ত সময় চাইছে।
IndiGo-র দাবি, কয়েকদিন আগে তারা নেটওয়ার্ক স্ট্যাবিলাইজ করতে জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছিল। ফ্লাইট রুট এবং সময়সূচি নতুনভাবে সাজানো ছাড়া বিকল্প উপায় ছিল না। এর ফলে সাময়িক অসুবিধা তৈরি হলেও, যাত্রী নিরাপত্তা ও পরিষেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এটাই ছিল সর্বোত্তম পথ।
ক্রমাগত ফ্লাইট বাতিলে যাত্রীরা বিরক্ত হলেও, IndiGo জানিয়েছে তারা রিফান্ড, রি-বুকিং ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, যাত্রী স্বস্তি বজায় রাখা তাদের প্রধান অগ্রাধিকার এবং পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে সব বিভাগ সমন্বয় করে কাজ করছে।
DGCA অবশ্য জানিয়েছে, তারা এয়ারলাইনের অনুরোধ বিবেচনা করলেও, পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। প্রয়োজন হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার মতে, নিয়ম মেনে চলা ও যাত্রী অধিকার রক্ষা করা সব এয়ারলাইনের দায়িত্ব।
এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করেছে যে দেশের আকাশপথে যাত্রী সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনই বিমান সংস্থাগুলির অপারেশনাল চাপও বাড়ছে। ভবিষ্যতে IndiGo ও DGCA—উভয়কেই সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে, যাতে পরিষেবা নিরাপদ ও স্থিতিশীল থাকে এবং যাত্রীরা নিশ্চিন্তে ভ্রমণ করতে পারেন













