
Investors Rush to Gold and Silver as Market Hits New Highs,Source: social media
সোনার ও রুপোর দাম নতুন রেকর্ড স্পর্শ করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে এবং ভারতের বাজারে উভয়ই আজ ধাতুগুলোর মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সম্ভাব্য সুদের হার কমানোর ইঙ্গিত এই উর্ধ্বগতির প্রধান কারণ। ডলারের দুর্বল অবস্থাও স্বর্ণ ও রুপোর দাম বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (MCX) ফেব্রুয়ারি সরবরাহের জন্য স্বর্ণের দাম প্রতি ১০ গ্রামে প্রায় ১,৩৬,০০০ টাকায় পৌঁছেছে। এটি একটি নতুন সর্বকালের রেকর্ড। একইভাবে, রুপোর মার্চ সরবরাহের ফিউচারের দাম প্রতি কেজিতে দুই লাখ টাকার উপর দিয়ে গেছে। এই উর্ধ্বগতি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বর্ণ ও রুপোর প্রতি আকর্ষণ বাড়াচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও স্বর্ণ ও রূপোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ বেড়েছে। নিরাপদ লগ্নি হিসেবে এই ধাতুগুলো ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। মার্কিন সুদের হারের সম্ভাব্য কমতি এই ধাতুগুলোর দাম বাড়াতে সাহায্য করছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় ৪,৪৩০ মার্কিন ডলার প্রতি আউন্সে উঠেছে। রুপোর দামও প্রতি আউন্সে ৬৯ মার্কিন ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে। এই পরিস্থিতি বিশেষ করে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে এবং সোনার চাহিদা বাড়াচ্ছে।
ভারতে এই ধাতুগুলোর দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষও প্রভাব অনুভব করছেন। গহনা ক্রেতা এবং বিবাহ অনুষ্ঠানের জন্য স্বর্ণের চাহিদা কিছুটা সীমিত হচ্ছে। তবে, ১৪ ও ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের বিকল্প ক্রেতাদের মধ্যে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
গতকালের বাজারে রুপোর দাম ইতিমধ্যেই দুই লাখ টাকার দিক অতিক্রম করেছে। স্বর্ণও উচ্চমূল্য রেকর্ড করছে। বিনিয়োগকারীরা এই অবস্থায় যথাযথ সময়ে ক্রয়-বিক্রয় করে লাভ অর্জনের চেষ্টা করছেন।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, যদি মার্কিন ফেড আরও বেশি সুদের হার কমায় বা বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পায়, তাহলে স্বর্ণ ও রুপোর দাম আরও বাড়তে পারে। এই মুহূর্তে বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্ক থাকা এবং বাজারের ওঠানামা মনোযোগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।












