যাদের গাড়ির ট্রাফিক চালান এখনো কেটে রয়েছে বা অনেকদিন ধরে জমে আছে, তাদের জন্য ২০২৫ সালের National Lok Adalat হতে পারে এক দারুণ সুযোগ। প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নির্দিষ্ট দিনে এই লোক আদালত অনুষ্ঠিত হয়, আর সেই দিন ছোটখাটো মামলাগুলো দ্রুত এবং সহজভাবে নিষ্পত্তি করা হয়। এবারও ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫-এ সারা দেশে National Lok Adalat অনুষ্ঠিত হবে। আর এই দিন অনেক ক্ষেত্রেই আপনার ট্রাফিক চালান কম খরচে মিটিয়ে ফেলার সুযোগ পাওয়া যেতে পারে।
কেন National Lok Adalat এত গুরুত্বপূর্ণ?
সাধারণত ট্রাফিক চালান মিটাতে অনেকে আদালতে আসা-যাওয়ার ঝামেলায় যেতে চান না। আবার কোনো কোনো চালানের পরিমাণ এত বেশি হয় যে একসঙ্গে টাকা পরিশোধ করা কষ্টকর। Lok Adalat ঠিক এই জায়গাতেই কাজ করে—
এই দিনে বিভিন্ন ধরনের ছোটখাটো চালান কম টাকায় সমাধান করার সুযোগ থাকে।
অনেক সময় ১০–২০% নয়, বরং ৫০% থেকে ৭০% পর্যন্তও ছাড় হয়ে থাকে। তবে মনে রাখতে হবে, ছাড়ের পরিমাণ আগেই নির্দিষ্ট থাকে না। বিচারক, কেসের ধরন, অপরাধের মাত্রা—সবকিছুর ওপরই ডিসকাউন্ট নির্ভর করে।
কোন ধরনের চালানে ছাড় পাওয়া যায়?
National Lok Adalat-এ সাধারণত যেসব কেস নেওয়া হয়, তার মধ্যে রয়েছে—
হেলমেট ছাড়া গাড়ি চালানো
সিটবেল্ট না পরা
ভুল পার্কিং
সিগন্যাল ভঙ্গ
ওভারস্পিডে ধরা পড়া
পিউসি বা গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট না থাকা
অতিরিক্ত হর্ণ ব্যবহার
নথিপত্র অসম্পূর্ণ থাকা
এগুলোকে ‘compoundable’ offence বলা হয়—মানে আদালতে ঝামেলা না করে সরাসরি মীমাংসা করা যায়।
কোন চালান National Lok Adalat-এ সমাধান হবে না?
সব ট্রাফিক চালানই ফেলারযোগ্য নয়। যেমন—
মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানো
দুর্ঘটনায় গুরুতর আঘাত বা মৃত্যু
হিট-অ্যান্ড-রান
বিপজ্জনকভাবে রেসিং
সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা
এই ধরনের গুরুতর অপরাধ কখনোই Lok Adalat-এ বিবেচনা করা হয় না।
ছাড় কতটা পাওয়া সম্ভব?
অনেকে মনে করেন মাত্র ১০–২০% ছাড় পাওয়া যাবে। বাস্তবে বিষয়টি ভিন্ন।
পূর্বের লোক আদালতগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়—
কেউ ১০,০০০ টাকার চালান মাত্র ৩,০০০-এ মিটিয়েছে
কেউ ২,০০০ টাকা কমিয়ে ৭০০-তে সমাধান করেছে
আবার অনেকেই প্রায় ৫০% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পেয়েছে
তবে সব কেসে ছাড় পাওয়া বাধ্যতামূলক নয়। কখনো বিচারকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুরো টাকাই দিতে হতে পারে।
কীভাবে আবেদন করবেন? ধাপে-ধাপে সহজ প্রক্রিয়া
১. আপনার ই-চালান চেক করুন
যে রাজ্যে থাকেন, সেই রাজ্যের ট্রাফিক পুলিশ বা ই-চালান পোর্টালে গিয়ে নিজের গাড়ির নম্বর দিয়ে চালান যাচাই করে নিন।
২. কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন
চালানের কপি
RC
ড্রাইভিং লাইসেন্স
পিউসি (যদি থাকে)
৩. National Lok Adalat-এর ভেন্যু জেনে নিন
প্রত্যেক জেলায় আলাদা আদালত কেন্দ্র থাকে। সাধারণত জেলা আদালতেই প্রক্রিয়া হয়।
৪. নির্ধারিত দিনে সরাসরি লাইনে দাঁড়ান
১৩ ডিসেম্বর আদালতে গেলে আপনার কেস শুনে বিচারক ডিসকাউন্ট উল্লেখ করবেন।
৫. সমঝোতা হলে সঙ্গে সঙ্গেই টাকা জমা দিয়ে রশিদ নিন
এই রশিদই প্রমাণ করবে আপনার চালান সম্পূর্ণ মিটে গেছে।
কেন এই সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়?
অনেক পুরনো চালানও এই দিনে মিটে যায়
কোনো মামলা-মোকদ্দমা, আইনজীবী, বাড়তি খরচ নেই
সময়, টাকা এবং ঝামেলা—সবকিছুই বাঁচে
একদিনেই সমাধান হলে ভবিষ্যতে গাড়ির নথিপত্রে সমস্যা হয় না
গাড়ি বেচাকেনা বা রিনিউয়ালের সময় আর কোনো বাধা থাকে না
কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
লোক আদালতের আগের দিন আপনার চালান অনলাইনে যাচাই করুন
খুব সকালেই আদালতে যান (ভিড় বেশি হয়)
চালান বেশি হলে আলোচনা করে যুক্তিসঙ্গত ছাড় পাওয়ার সুযোগ নিন
আপনার গাড়ির নম্বর এবং নথি ঠিক আছে কিনা আগে দেখে নিন
শেষ কথা
National Lok Adalat 2025 আপনার জন্য একটি বাস্তব সুযোগ হতে পারে, যদি আপনার গাড়ির চালান জমে থাকে। একদিনেই সহজভাবে, কম খরচে, ঝামেলাহীনভাবে সব কেস নিষ্পত্তি করা যায়। তাই ১৩ ডিসেম্বর তারিখটি মনে রাখুন এবং সুবিধা নিন।
ইচ্ছা করলে আমি চাইলে এই বিষয়ে একটি গুগল ডিসকভার–রেডি থাম্বনেইল টাইটেল, মেটা ডিসক্রিপশন বা শর্ট নিউজ ভার্সনও তৈরি করে দিতে পারি।

I am Raju Das. I have been working in news and digital journalism for more than five years. I have a strong interest in covering politics and regional news. Before publishing any report, our team always conducts in-depth research and verifies the information so that we can present accurate and reliable news to our readers.
I run a news website called “Mtimes,” where we mainly publish important local and regional news. Our goal is to deliver fast, accurate, and trustworthy information to readers. That’s why we try to analyze the background and real situation behind every story and present it in simple and clear language.
Our team continuously works hard to improve the quality of our reporting and journalism.
In today’s era of digital journalism, my main goal is to provide readers with reliable, fact-based local and regional news they can trust.













