
Why Vicky Kaushal Is Proud of Patriotic Films,Source: social media
বলিউডে চলতি সময়ে যেসব ছবি শুধু ব্যবসায়িক সাফল্যই নয়, আলোচনার কেন্দ্রেও উঠে এসেছে, তার মধ্যে ভিকি কৌশলের অভিনীত ঐতিহাসিক ও দেশকেন্দ্রিক চলচ্চিত্রগুলো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানিয়েছেন, ‘চহবা’ ও ‘ধুরন্ধর’-এর মতো ছবির বিপুল সাফল্য তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে গর্বিত করেছে। তাঁর মতে, এই সাফল্যের পেছনে শুধুমাত্র বাজারের অঙ্ক নয়, দর্শকের আবেগই সবচেয়ে বড় ভূমিকা নিয়েছে।
ভিকি কৌশল মনে করেন, এই ধরনের ছবিকে অনেকেই সহজে “দেশপ্রেমী ফর্মুলা” বলে দাগিয়ে দিতে চান। কিন্তু বাস্তবটা তা নয়। তাঁর বক্তব্য, দেশপ্রেম কোনো কৌশল নয়, বরং এটি আমাদের বাস্তব অনুভূতি ও ইতিহাসের অংশ। যখন একটি গল্প সত্যিকারের বিশ্বাস ও আন্তরিকতা নিয়ে বলা হয়, তখন দর্শক তা স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করে।
‘চহবা’ ছবিতে ভিকি কৌশল এক ঐতিহাসিক চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের সামনে সাহস, ত্যাগ এবং নেতৃত্বের এক শক্তিশালী ছবি তুলে ধরেছেন। ছবির কাহিনি শুধুমাত্র যুদ্ধ বা বীরত্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং একজন নেতার মানবিক দিক, দ্বন্দ্ব ও দায়িত্ববোধও ফুটে উঠেছে। এই ভারসাম্যপূর্ণ উপস্থাপনাই দর্শকদের সঙ্গে গভীর সংযোগ তৈরি করেছে।
অন্যদিকে, ‘ধুরন্ধর’ ছবিটি আধুনিক ভারতের সাহসী মুখকে তুলে ধরে। গুপ্তচরবৃত্তি, জাতীয় নিরাপত্তা এবং ব্যক্তিগত আত্মত্যাগ—এই তিনটি উপাদান ছবিটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। ভিকির মতে, এই ধরনের গল্প আজকের প্রজন্মকে ভাবতে শেখায় এবং দেশের বাস্তব চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সচেতন করে।
ভিকি আরও বলেন, আজকের দর্শক আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। তারা শুধু বড় সেট বা অ্যাকশন নয়, বরং গল্পের সত্যতা এবং চরিত্রের গভীরতাকেও গুরুত্ব দেয়। তাই যেসব ছবি মন থেকে তৈরি হয়, সেগুলিই দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
এই সাফল্য অভিনেতা হিসেবে ভিকিকে আরও দায়িত্বশীল করেছে বলেও তিনি জানান। ভবিষ্যতে এমন গল্পের অংশ হতে চান, যা শুধুই বিনোদন নয়, বরং সমাজ ও ইতিহাসের সঙ্গে সংলাপ তৈরি করে। তাঁর কাছে সিনেমা মানে শুধু পর্দার ঝলক নয়, বরং ভাবনার খোরাক।
সব মিলিয়ে, ভিকি কৌশলের বক্তব্যে স্পষ্ট—ভয়হীন, সৎ ও আবেগঘন গল্পই আজকের ভারতের সিনেমাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের অংশ হতে পেরে তিনি নিজেকে গর্বিত মনে করেন, আর সেই গর্বই তাঁর অভিনয়ের শক্তি হয়ে উঠছে।












