
XAT 2026: Last Chance to Submit Application Online,source: Office Website
২০২৬ সালের Xavier Aptitude Test বা XAT-এর রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগের নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও পরীক্ষার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আরও কয়েকদিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে যারা শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তাদের জন্য আবারও সুযোগ তৈরি হয়েছে সময়মতো ফর্ম পূরণ করার।
রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালের ১০ জুলাই থেকে। শুরু থেকেই ভালো সাড়া পাওয়া গেলেও অনেক আবেদনকারী শেষ সময়ের ভিড়ে সমস্যায় পড়ছিলেন। সেই কারণেই কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয় যে আবেদন সংগ্রহের সময়সীমা বাড়ানো হবে। এখন নতুন শেষ তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১১ ডিসেম্বর রাত পর্যন্ত, যা পরীক্ষার্থীদের জন্য স্বস্তির খবর।
আবেদনকারীদের অনলাইনে ফর্ম পূরণের সময় ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ছবি এবং স্বাক্ষর আপলোড করতে হয়। পাশাপাশি নির্ধারিত পরীক্ষার ফি পরিশোধ করে আবেদনটি সম্পূর্ণ করতে হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল হওয়ায় দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে সহজেই আবেদন করা সম্ভব হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের সময় ও পরিশ্রম দু’টোই কমিয়েছে।
XAT হলো দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যানেজমেন্ট প্রবেশিকা পরীক্ষা, যা দিয়ে ভারতের বিভিন্ন শীর্ষ B-School-এ ভর্তি হওয়া যায়। স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা বা ফাইনাল-ইয়ার পরীক্ষার্থী— উভয়েই এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার যোগ্য। ফলে বিভিন্ন শাখার ছাত্রছাত্রীরাই এই পরীক্ষার মাধ্যমে ম্যানেজমেন্ট শিক্ষায় এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পান।
পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হবে ৪ জানুয়ারি ২০২৬। তিন ঘণ্টার এই কম্পিউটার-ভিত্তিক পরীক্ষা দেশের বিভিন্ন শহরে কেন্দ্রীভূতভাবে নেওয়া হবে। পরীক্ষায় ইংরেজি ভাষা, যুক্তিবিদ্যা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সংখ্যাতত্ত্ব— এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দক্ষতা যাচাই করা হয়, যা পরবর্তী ম্যানেজমেন্ট শিক্ষার জন্য অপরিহার্য।
নতুন সময়সীমা ঘোষণার পর অনেক পরীক্ষার্থীই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। কারণ শেষ মুহূর্তে তথ্য ভুল বা নথিপত্র আপলোডের সমস্যা হলে তা সংশোধন করার জন্য বাড়তি সময় পাওয়া যাচ্ছে। আবার যারা একটু দেরিতে প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন, তারাও রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সময় পাচ্ছেন।
ম্যানেজমেন্ট ক্যারিয়ারে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য XAT-এ অংশ নেওয়া নিঃসন্দেহে এক বড় সুযোগ। তাই যারা এখনও আবেদন করেননি, তারা সময় নষ্ট না করে ফর্ম পূরণ করে ফেলাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ পরীক্ষাটি পেরোতে পারলে দেশের বহু স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষার দরজা খুলে যেতে পারে।













